Showing posts with label রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. Show all posts
Showing posts with label রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. Show all posts

Sunday, 18 January 2015

বিশ্বভরা প্রাণ ♥♪♥

[উত্সর্গ: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে]
সুবোধ ও অবোধের অল্প স্বল্প গল্প 
সুবোধ ও অবোধ দুই বন্ধু। সুবোধ চালাক-চতুর, ভদ্র-নম্র ও বিনয়ী। আর অবোধ হলো সহজ-সরল, হাবা-গোবা ও সত্যভাষী। জীবন-যুদ্ধে দু'জনের আশা-নিরাশার মিল-ঝিলমিল। সুবোধ ইনিয়ে-বিনিয়ে 'জীবন-যখন-যেমন' তেমন করে পথ চলে! আর অবোধ অপ্রিয় সত্য-খুঁজে প্রায়ই আপদ-বিপদ ডেকে আনে। দু'জনেই মুক্তমনা, শিল্পমনা ও বেশ রাজনীতি-সচেতন। প্রবাসে বসবাস। কিন্তু ওদের হৃদয় জুড়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও 'বিশ্বভরা প্রাণ!' সময়-সুযোগে দু'জনের দেখা হলেই জমে ওঠে বিভিন্ন বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক। শুনুন তাহলে অবোধ ও সুবোধের এক চিলতে তর্ক-বিতর্কের অংশ বিশেষ ....

অবোধ: রাজনীতি হলো জনগনের সেবা। মাননীয় নেতারা দীর্ঘ ৫ বছর কোনো কাজ না করে জনগনের কোষাগার থেকে বেতন ও অপার সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে। কী সেবা দিয়েছে তারা জনগনকে? অবরোধ! হরতাল! জালাও-পোড়াও! শোষণ-নির্যাতন! রাজনীতি কি পালাক্রমে লুটে-পুটে খাওয়ার পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনা? সুস্থ-সুন্দর রাজনীতি চাই। সাধারণ জনগনের উন্নতি চাই। প্রতিশ্রুতিশীল নতুন নেতৃত্ব চাই। যারা জনগনের সেবা প্রদানে দায়বদ্ধ।

সুবোধ: এক সময় বাঙ্গালীরা স্বপ্ন দেখে ছিল তারা শোষণ-মুক্ত হবে। সবার সমান অধিকার থাকবে। নেতারা কথা রাখেনি। তারা পালাক্রমে লুটে-পুটে নিজেরা বিত্তশালী হয়েছে। কারা নিয়ন্ত্রণ করছে এই দুষিত রাজনীতির চিত্রপট? কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, পরজীবি বকধার্মিক নেতা ও প্রতিপত্তিশালী স্বার্থনেষী সাম্রাজ্যবাদ। সবার লক্ষ্য হলো সীমিত সময়ে কে কতটা অর্থ সঞ্চয় করতে পারে! আজ পৃথিবীর ৯৫% সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ৫% পুঁজিবাদী। এই বিশ্ব-চিত্র বাংলাদেশেও সম্প্রসারিত! আর তাই বুঝি আজ সার্বিক-সুখ সুদূর 'সোনার হরিণ!'

অবোধ: রবীন্দ্রনাথ আশা করেছিলেন এই মানবসভ্যতার সংকট-সমাধানের উন্মেষ হবে ইউরোপ থেকে এবং সেই শান্তির ঢেউ একদিন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। কারণ ইউরোপ জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনায় অনেক এগিয়ে। রবীন্দ্রনাথ সেই স্বপ্নের বীজ বুনে গেছেন। নোবেল প্রাইজের অর্থে গড়ে গেলেন 'শান্তি নিকেতন!' আর দেখতে পাই রবীন্দ্র-ভাবনায় সুদূর জার্মানীতে গড়ে উঠেছে 'স্কুল অফ উইসডম!' চিন্তা-চেতনা ও দূরদর্শী ভাবনার মৃত্যু নেই। স্বপ্ন অবিনাশী। বিশ্ব-শান্তির সেই সংলাপ রবীন্দ্রনাথ শুরু করে গেছেন। তিনি বিশ্বকে নিয়ে ভেবেছিলেন বলেই বিশ্বকবি। এবিষয়ে আরো জানতে পাবেন এই লিঙ্কে: life2love.weebly.com/tagore.html. এখানে সংরক্ষণ করেছি বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য লিংক এবং ডকুমেন্টারী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্লাসেস ও কথোপকথন। এগুলি যতবার পড়েছি, শুনেছি ও দেখেছি ততবার মনে হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বিশাল দূরদর্শী ভাবনাকে আমরা আসলেই কতটুকু ধারণ করতে পেরেছি? মনে হয়েছে এগুলি অনুভব করলে আমরা আরো ভালো ভালো শিল্পকলা, শিল্পী ও বিকশিত মানুষ পেতাম যারা সমাজ পরিবর্তনে জীবনের ছন্দ খুঁজে পেতেন ও সহায়ক শক্তি হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারতেন।

সুবোধ: ঠিক বলেছিস। আর আরেকজন বাঙ্গালী নোবেল প্রাইজ পেলেন দরিদ্র-শোষণ ও সুদের ব্যবসায় সাফল্য দেখিয়ে! পৃথিবী এখন চলছে উল্টো পথে! এখানে এখন দাস-প্রথা বিলিয়ন-ডলার ব্যবসায় রুপ নিয়েছে। শোষণের মাত্রা সীমানা পরিয়েছে। অস্ত্র-সন্ত্রাস-যুদ্ধ-জঙ্গি ব্যবসা জমজমাট। তার পরেও বলবো আমাদের মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় আমাদের প্রাপ্তি অনেক। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির পরশ জীবন ছুঁয়েছে! অনেক ধনীরা ইদানিং বুঝতে শিখেছে এইসব ধন-সম্পত্তির মালিক শুধু তাদের নয়। তারা হাত-ভরে দিতে শিখেছে। অনেক গুণী শিল্পীরাও এখন মানুষের সুখ-শান্তির কথা ভাবছে। মানুষের মুক্তির জন্য কনসার্ট করছে। মুক্ত-মনা মানুষের প্রসার ঘটছে....। আর তাই রবীন্দ্র-ভাবনায় সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে এখনো স্বপ্ন দেখি 'আমার মুক্তি আলোয়, আলোয় এই আকাশে ....'

'...আমি অবাক হয়ে শুনি!' 'আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে...!'

'আগুনের
          পরশমণি
                   ছোঁয়াও প্রাণে।
  এ জীবন
          পুণ্য করো
                   দহন-দানে।
  আমার এই
          দেহখানি
                   তুলে ধরো,
  তোমার ওই
          দেবালয়ের
                   প্রদীপ করো,
  নিশিদিন
          আলোক-শিখা
                   জ্বলুক গানে।
  আগুনের
          পরশমণি
                   ছোঁয়াও প্রাণে।
  আঁধারের
          গায়ে গায়ে
                   পরশ তব
  সারা রাত
          ফোটাক তারা
                   নব নব।
নয়নের
    দৃষ্টি হতে
            ঘুচবে কালো,
  যেখানে
          পড়বে সেথায়
                   দেখবে আলো,
  ব্যথা মোর
          উঠবে জ্বলে
                   ঊর্ধ্ব-পানে।
  আগুনের
          পরশমণি
                   ছোঁয়াও প্রাণে।'

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
 'সুরুল, ১১ ভাদ্র, ১৩২১'
tagoreweb.in 

♥♪♥
শফিউল ইসলাম
কেমব্রিজ, ওন্টারিও, কানাডা
২০১৫ জানুয়ারী ১৮
PC: FB Sweet Quotes Archive




Monday, 7 July 2014

তোতা-কাহিনী ~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Tota Kahini- Tahmina Jafor




আবৃত্তি: তাহমিনা জাফর 

    

Published on Jul 7, 2014
A well known piece of Tagore read at the Rabindra Joyanti on the 24th May 2014 organized by Manchester Kochi O Kancha.

তোতা-কাহিনী ~ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

'এক-যে ছিল পাখি। সে ছিল মূর্খ। সে গান গাহিত, শাস্ত্র পড়িত না। লাফাইত, উড়িত, জানিত না কায়দাকানুন কাকে বলে।
রাজা বলিলেন, ‘এমন পাখি তো কাজে লাগে না, অথচ বনের ফল খাইয়া রাজহাটে ফলের বাজারে লোকসান ঘটায়।’
মন্ত্রীকে ডাকিয়া বলিলেন, ‘পাখিটাকে শিক্ষা দাও।’
রাজার ভাগিনাদের উপর ভার পড়িল পাখিটাকে শিক্ষা দিবার।
পণ্ডিতেরা বসিয়া অনেক বিচার করিলেন। প্রশ্নটা এই, উক্ত জীবের অবিদ্যার কারণ কী।
সিদ্ধান্ত হইল, সামান্য খড়কুটা দিয়া পাখি যে বাসা বাঁধে সে বাসায় বিদ্যা বেশি ধরে না। তাই সকলের আগে দরকার, ভালো করিয়া খাঁচা বানাইয়া দেওয়া।
রাজপণ্ডিতেরা দক্ষিণা পাইয়া খুশি হইয়া বাসায় ফিরিলেন।
স্যাকরা বসিল সোনার খাঁচা বানাইতে। খাঁচাটা হইল এমন আশ্চর্য যে, দেখিবার জন্য দেশবিদেশের লোক ঝুঁকিয়া পড়িল। কেহ বলে, ‘শিক্ষার একেবারে হদ্দমুদ্দ।’ কেহ বলে, ‘শিক্ষা যদি নাও হয়, খাঁচা তো হইল। পাখির কী কপাল।’
স্যাকরা থলি বোঝাই করিয়া বকশিশ পাইল। খুশি হইয়া সে তখনি পাড়ি দিল বাড়ির দিকে।
পণ্ডিত বসিলেন পাখিকে বিদ্যা শিখাইতে। নস্য লইয়া বলিলেন, ‘অল্প পুঁথির কর্ম নয়।’
ভাগিনা তখন পুঁথিলিখকদের তলব করিলেন। তারা পুঁথির নকল করিয়া এবং নকলের নকল করিয়া পর্বতপ্রমাণ করিয়া তুলিল। যে দেখিল সেই বলিল, ‘সাবাস। বিদ্যা আর ধরে না।’
লিপিকরের দল পারিতোষিক লইল বলদ বোঝাই করিয়া। তখনি ঘরের দিকে দৌড় দিল। তাদের সংসারে আর টানাটানি রহিল না।
অনেক দামের খাঁচাটার জন্য ভাগিনাদের খবরদারির সীমা নাই। মেরামত তো লাগিয়াই আছে। তার পরে ঝাড়া মোছা পালিশ-করা ঘটা দেখিয়া সকলেই বলিল, ‘উন্নতি হইতেছে।’
লোক লাগিল বিস্তর এবং তাদের উপর নজর রাখিবার জন্য লোক লাগিল আরও বিস্তর। তারা মাস-মাস মুঠা-মুঠা তনখা পাইয়া সিন্ধুক বোঝাই করিল।
তারা এবং তাদের মামাতো খুড়তুতো মাসতুতো ভাইরা খুশি হইয়া কোঠাবালাখানায় গদি পাতিয়া বসিল।
সংসারে অন্য অভাব অনেক আছে, কেবল নিন্দুক আছে যথেষ্ট। তারা বলিল, ‘খাঁচাটার উন্নতি হইতেছে, কিন্তু পাখিটার খবর কেহ রাখে না।’
কথাটা রাজার কানে গেল। তিনি ভাগিনাকে ডাকিয়া বলিলেন, ‘ভাগিনা, এ কী কথা শুনি।’
ভাগিনা বলিল, ‘মহারাজ, সত্য কথা যদি শুনিবেন তবে ডাকুন স্যাকরাদের, পণ্ডিতদের, লিপিকরদের, ডাকুন যারা মেরামত করে এবং মেরামত তদারক করিয়া বেড়ায়। নিন্দুকগুলো খাইতে পায় না বলিয়াই মন্দ কথা বলে।’
জবাব শুনিয়া রাজা অবস্থাটা পরিষ্কার বুঝিলেন, আর তখনি ভাগিনার গলায় সোনার হার চড়িল।
শিক্ষা যে কী ভয়ংকর তেজে চলিতেছে, রাজার ইচ্ছা হইল স্বয়ং দেখিবেন। একদিন তাই পাত্র মিত্র অমাত্য লইয়া শিক্ষাশালায় তিনি স্বয়ং আসিয়া উপস্থিত।
দেউড়ির কাছে অমনি বাজিল শাঁখ ঘণ্টা ঢাক ঢোল কাড়া নাকাড়া তুরী ভেরি দামামা কাঁসি বাঁশি কাঁসর খোল করতাল মৃদঙ্গ জগঝম্প। পণ্ডিতেরা গলা ছাড়িয়া, টিকি নাড়িয়া, মন্ত্রপাঠে লাগিলেন। মিস্ত্রি মজুর স্যাকরা লিপিকর তদারকনবিশ আর মামাতো পিসতুতো খুড়তুতো এবং মাসতুতো ভাই জয়ধ্বনি তুলিল।
ভাগিনা বলিল, ‘মহারাজ, কাণ্ডটা দেখিতেছেন!’
মহারাজ বলিলেন, ‘আশ্চর্য। শব্দ কম নয়।’
ভাগিনা বলিল, ‘শুধু শব্দ নয়, পিছনে অর্থও কম নাই।’
রাজা খুশি হইয়া দেউড়ি পার হইয়া যেই হাতিতে উঠিবেন এমন সময়, নিন্দুক ছিল ঝোপের মধ্যে গা ঢাকা দিয়া, সে বলিয়া উঠিল, ‘মহারাজ, পাখিটাকে দেখিয়াছেন কি।’
রাজার চমক লাগিল; বলিলেন, ‘ঐ যা! মনে তো ছিল না। পাখিটাকে দেখা হয় নাই।’
ফিরিয়া আসিয়া পণ্ডিতকে বলিলেন, ‘পাখিকে তোমরা কেমন শেখাও তার কায়দাটা দেখা চাই।’
দেখা হইল। দেখিয়া বড়ো খুশি। কায়দাটা পাখিটার চেয়ে এত বেশি বড়ো যে, পাখিটাকে দেখাই যায় না; মনে হয়, তাকে না দেখিলেও চলে। রাজা বুঝিলেন, আয়োজনের ত্রুটি নাই। খাঁচায় দানা নাই, পানি নাই; কেবল রাশি রাশি পুঁথি হইতে রাশি রাশি পাতা ছিঁড়িয়া কলমের ডগা দিয়া পাখির মুখের মধ্যে ঠাসা হইতেছে। গান তো বন্ধই, চীৎকার করিবার ফাঁকটুকু পর্যন্ত বোজা। দেখিলে শরীরে রোমাঞ্চ হয়।
এবারে রাজা হাতিতে চড়িবার সময় কানমলা-সর্দারকে বলিয়া দিলেন, নিন্দুকের যেন আচ্ছা করিয়া কান মলিয়া দেওয়া হয়।
পাখিটা দিনে দিনে ভদ্র-দস্তুর-মতো আধমরা হইয়া আসিল। অভিভাবকেরা বুঝিল, বেশ আশাজনক। তবু স্বভাবদোষে সকালবেলার আলোর দিকে পাখি চায় আর অন্যায় রকমে পাখা ঝট্‌‍পট্ করে। এমন কি, এক-একদিন দেখা যায়, সে তার রোগা ঠোঁট দিয়া খাঁচার শলা কাটিবার চেষ্টায় আছে।
কোতোয়াল বলিল, ‘এ কী বেয়াদবি।’
তখন শিক্ষামহালে হাপর হাতুড়ি আগুন লইয়া কামার আসিয়া হাজির। কী দমাদ্দম পিটানি। লোহার শিকল তৈরি হইল, পাখির ডানাও গেল কাটা।
রাজার সম্বন্ধীরা মুখ হাঁড়ি করিয়া মাথা নাড়িয়া বলিল, ‘এ রাজ্যে পাখিদের কেবল যে আক্কেল নাই তা নয়, কৃতজ্ঞতাও নাই।’
তখন পণ্ডিতেরা এক হাতে কলম, এক হাতে সড়কি লইয়া এমনি কাণ্ড করিল যাকে বলে শিক্ষা।
কামারের পসার বাড়িয়া কামারগিন্নির গায়ে সোনাদানা চড়িল এবং কোতোয়ালের হুশয়ারি দেখিয়া রাজা তাকে শিরোপা দিলেন।
পাখিটা মরিল। কোন্‌‍কালে যে কেউ তা ঠাহর করিতে পারে নাই। নিন্দুক লক্ষ্ণীছাড়া রটাইল, ‘পাখি মরিয়াছে।’
ভাগিনাকে ডাকিয়া রাজা বলিলেন, ‘ভাগিনা, এ কী কথা শুনি।’
ভাগিনা বলিল, ‘মহারাজ, পাখিটার শিক্ষা পুরা হইয়াছে।’
রাজা শুধাইলেন, ‘ও কি আর লাফায়।’
ভাগিনা বলিল, ‘আরে রাম!’
‘আর কি ওড়ে।’
‘না।’
‘আর কি গান গায়।’
‘না।’
‘দানা না পাইলে আর কি চেঁচায়।’
‘না।’
রাজা বলিলেন, ‘একবার পাখিটাকে আনো তো, দেখি।’
পাখি আসিল। সঙ্গে কোতোয়াল আসিল, পাইক আসিল, ঘোড়সওয়ার আসিল। রাজা পাখিটাকে টিপিলেন, সে হাঁ করিল না, হু করিল না। কেবল তার পেটের মধ্যে পুঁথির শুকনো পাতা খস্‌‍খস্ গজ্‌‍গজ্ করিতে লাগিল।
বাহিরে নববসন্তের দক্ষিণহাওয়ায় কিশলয়গুলি দীর্ঘনিশ্বাসে মুকুলিত বনের আকাশ আকুল করিয়া দিল।'

সৌজন্যে:

তোতা-কাহিনী (রবীন্দ্রনাথের গল্প) - উইকিসংকলন একটি মুক্ত ...

Friday, 27 June 2014

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া ♥♪♥




মানসী অনন্যা
Photo: Courtesy Facebook :: 2014 June 24

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া / Kotobar bhebechinu apona bhuliya by মানসী অনন্যা

    


Published on Jun 24, 2014
কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া / Kotobar bhebechinu apona bhuliya by মানসী অনন্যা .
  • Category

  • License

    Standard YouTube License

Stream


Excellent ♥♪♥
Translate
Reply
 · 

darun
Translate
Reply
 · 

Gr8
Translate
Reply
 · 

spell-bound.........!!!
Translate
Reply
 · 

wow
Translate
Reply
 · 

ভেবেছিনু মনে মনে...almost divine :)
Translate

wow ! pretty nice voice.
Translate
Reply
 ·